রাফি হোসেনের বয়স ২৬। মিরপুরে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। ক্রিকেট ভালোবাসেন প্রাণের গভীর থেকে — টিভিতে ম্যাচ না দেখলে দিনটা যেন অসম্পূর্ণ লাগে। বন্ধুদের মাধ্যমে ace345-এর কথা জানতে পারেন ২০২৬ সালের ঈদের কিছুদিন আগে।
প্রথমবার অ্যাকাউন্ট খোলার অভিজ্ঞতা
রাফি বলেন, শুরুতে একটু দ্বিধা ছিল। অনলাইনে টাকাপয়সার বিষয়ে সাবধান থাকাটা স্বাভাবিক। কিন্তু ace345-এর নিবন্ধন প্রক্রিয়া অবাক করার মতো সহজ ছিল। ফোন নম্বর দিয়ে OTP যাচাই, তারপর bKash থেকে প্রথম ডিপোজিট — পুরোটা ১০ মিনিটের বেশি লাগেনি।
"আমি ভেবেছিলাম অনেক কাগজপত্র লাগবে, ফর্ম ভরতে হবে। কিন্তু ace345-এ সব এত সহজ যে প্রথমবারেই মনে হলো এটা আমাদের জন্যই বানানো।"
ঈদের রাতে লাইভ ক্যাসিনো
ঈদের রাতে পরিবারের সাথে সময় কাটানোর পর রাফি একটু নিজের মতো সময় কাটাতে চাইছিলেন। ace345 খুলে লাইভ ক্যাসিনোতে ঢুকলেন। রিয়েল ডিলারের সাথে লাইভ স্ট্রিমিংয়ে বাজি ধরার অনুভূতি তার কাছে সম্পূর্ণ নতুন ছিল। ছোট বাজি দিয়ে শুরু করেছিলেন, সাবধানে খেলেছেন, এবং সেই রাতে তার প্রাথমিক বিনিয়োগের দ্বিগুণ নিয়ে উঠেছিলেন।
তিনি জানান, টাকা জেতাটা অবশ্যই আনন্দের ছিল, কিন্তু সবচেয়ে ভালো লেগেছিল প্ল্যাটফর্মের স্থিতিশীলতা। নেট একটু ধীর থাকলেও ace345-এর স্ট্রিম কোনো সমস্যা করেনি। এটাই তাকে সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ করেছিল।
এখন কেমন আছেন রাফি?
সেই ঈদের পর থেকে রাফি ace345-এ নিয়মিত। তবে তিনি পরিমিত থাকেন — সপ্তাহে দু-তিনবার, নির্দিষ্ট বাজেটের মধ্যে। ডেইলি ক্যাশব্যাক আর ওয়েলকাম বোনাস তার অ্যাকাউন্টে বেশ কিছু অতিরিক্ত সুবিধা এনেছে। তার মতে, ace345 শুধু একটি বেটিং সাইট না — এটা একটা সম্পূর্ণ বিনোদন প্যাকেজ।